ঈদের দিন পশু জবাইয়ের আগে যেসব ভুল একদমই করা যাবে না
পবিত্র ঈদুল আজহার মূল ইবাদত হলো কোরবানি। তবে ঈদের দিন সকাল থেকে পশু জবাই করার আগ পর্যন্ত ইসলামে কিছু জরুরি নিয়ম ও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সঠিক নিয়ম না জানলে কোরবানি অপূর্ণ থেকে যেতে পারে। হাদিস ও ইসলামী বিধান অনুযায়ী, ঈদের দিন কোরবানির আগে কোন কোন কাজ করা যাবে না, তা নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ঈদের নামাযের আগে পশু জবাই নিষিদ্ধ
ঈদের দিন ঈদের নামায শেষ হওয়ার আগে কোনোভাবেই কোরবানির পশু জবাই করা যাবে না। নামাযের আগে জবাই করলে তা সাধারণ মাংস হিসেবে গণ্য হবে, কোরবানি হবে না।
২. সকালে অন্য কিছু খাওয়া
কোরবানিদাতার জন্য ঈদের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে কিছু না খেয়ে থাকা সুন্নাত। কোরবানির পশুর মাংস দিয়ে দিনের প্রথম খাবার খাওয়া উত্তম।
৩. নখ বা চুল কাটা যাবে না
জিলহজ মাসের শুরু থেকে কোরবানি হওয়া পর্যন্ত কোরবানিদাতার চুল, নখ বা শরীরের কোনো লোম কাটা নিষেধ। তাই ঈদের দিন সকালেও এগুলো কাটা যাবে না।
৪. পশুকে ভারী খাবার দেওয়া
পশু জবাই করার অন্তত ১২ ঘণ্টা আগে তাকে কোনো শক্ত বা দানাদার খাবার (যেমন: ভুসি, খৈল) দেওয়া যাবে না। তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি খাওয়াতে হবে।
৫. পশুর সামনে ছুরি ধার দেওয়া
কোরবানির পশুর চোখের সামনে ছুরি বা ধারালো অস্ত্র ধার দেওয়া যাবে না। এতে পশু ভয় পায়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে অন্যায়।
৬. একটির সামনে অন্যটি জবাই
একটি পশুর সামনে অন্য পশুকে শোয়ানো বা জবাই করা যাবে না। এমনকি পশুকে জবাইয়ের জায়গায় নেওয়ার সময় টেনেহিঁচড়ে কষ্ট দেওয়া থেকেও বিরত থাকতে হবে।
কোরবানি শুধু একটি আচার নয়, এটি আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠতার প্রমাণ। তাই ঈদের দিন পশুর প্রতি মানবিক হওয়া এবং ইসলামের সঠিক নিয়ম মেনে চলা সবার দায়িত্ব।
Report M.Monir
NCC News 24

